আমরা শুধু একটি গেমিং সাইট নই। আমরা বাংলাদেশের লক্ষাধিক মানুষের বিনোদনের সঙ্গী — যেখানে প্রতিটি অভিজ্ঞতা হয় নিরাপদ, স্বচ্ছ এবং সহজ।
k09 প্রথম যাত্রা শুরু করে ২০১৯ সালে, একটি সহজ লক্ষ্যকে সামনে রেখে — বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটি অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা তৈরি করা যেটা আসলে তাদের জন্যই বানানো। এর আগে যা ছিল সেগুলো বেশিরভাগই বিদেশি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে বাংলা ভাষার সুবিধা ছিল না, দেশীয় পেমেন্ট পদ্ধতি সাপোর্ট করত না এবং বাংলাদেশি সংস্কৃতির সঙ্গে কোনো মিল ছিল না।
সেই শূন্যতা থেকেই k09-এর জন্ম। আমাদের প্রতিষ্ঠাতা দলটি বুঝেছিল যে ক্রিকেট এখানে শুধু একটি খেলা নয় — এটি একটি আবেগ, একটি উৎসব। বাংলাদেশ বনাম ভারত ম্যাচের রাতে এই দেশের মানুষের উত্তেজনা যারা কাছ থেকে দেখেছেন, তারাই বুঝবেন। সেই উত্তেজনার সাথে তাল মিলিয়ে বেটিং করার একটি নির্ভরযোগ্য জায়গা দরকার ছিল। k09 সেই জায়গাটি তৈরি করেছে।
শুরুতে ছোট একটি দল নিয়ে কাজ শুরু হয়েছিল। প্রথম কয়েক মাস ছিল শুধু পরীক্ষা-নিরীক্ষার — ব্যবহারকারীদের কথা শোনা, তাদের সমস্যা বোঝা, এবং সেই অনুযায়ী প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা। bKash ও Nagad ইন্টিগ্রেশন আনা হয়েছিল প্রথম দিকেই কারণ আমরা জানতাম এটাই সবচেয়ে বড় চাহিদা। তখন অন্য কোনো প্ল্যাটফর্ম মোবাইল ব্যাংকিংকে এতটা সহজ করেনি।
ধীরে ধীরে পরিবার বড় হয়েছে। ২০২১ সালে মোবাইল অ্যাপ আনা হলো, ২০২২ সালে লাইভ স্ট্রিমিং ফিচার যোগ হলো, আর ২০২৩ সালে স্পোর্টস বেটিং বিভাগ সম্পূর্ণ নতুনভাবে সাজানো হলো। প্রতিটি পদক্ষেপেই ব্যবহারকারীদের ফিডব্যাক ছিল আমাদের সবচেয়ে বড় গাইড।
আমাদের মূলনীতি সহজ: ব্যবহারকারী যদি সমস্যায় পড়েন, সেটা আমাদের সমস্যা। এই মানসিকতা থেকেই k09 প্রতিদিন একটু একটু করে উন্নত হচ্ছে।
অনেক আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম আছে যারা বাংলাদেশে সেবা দেওয়ার দাবি করে, কিন্তু তাদের ইন্টারফেস ইংরেজিতে, সাপোর্ট দেওয়া হয় বিদেশি এজেন্টদের মাধ্যমে এবং পেমেন্ট পদ্ধতি মূলত ক্রেডিট কার্ড বা ক্রিপ্টো নির্ভর। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কাছে এটা ততটা সহজলভ্য নয়।
k09 ভিন্নপথে হেঁটেছে। এখানে সম্পূর্ণ বাংলা ইন্টারফেস আছে। সাপোর্ট টিম বাংলায় কথা বলে। bKash, Nagad, রকেট — সবচেয়ে পরিচিত পেমেন্ট পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করা যায়। ন্যূনতম ডিপোজিট এবং উইথড্রের পরিমাণ বাংলাদেশের বাস্তবতা মাথায় রেখে নির্ধারণ করা হয়েছে।
k09 বিশ্বাস করে যে গেমিং একটি বিনোদন মাধ্যম। এটি কখনো কারো জীবনে চাপ তৈরি করার কারণ হওয়া উচিত নয়। তাই আমরা দায়িত্বশীল গেমিংকে শুধু নিয়মের অংশ হিসেবে দেখি না, এটাকে আমাদের প্ল্যাটফর্মের একটি মূল বৈশিষ্ট্য হিসেবে রেখেছি।
ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন, কুলিং-অফ পিরিয়ড — এই সব টুল k09-এ বিনামূল্যে পাওয়া যায় এবং যেকোনো সময় অ্যাকাউন্ট সেটিংস থেকে চালু করা যায়। আমাদের লক্ষ্য হলো ব্যবহারকারী যেন সবসময় নিয়ন্ত্রণে থাকেন।
ছয়টি মূল বিষয় যা k09-কে বাংলাদেশের অন্য প্ল্যাটফর্ম থেকে আলাদা করে।
কয়েক বছরে কীভাবে বেড়ে উঠেছে আমাদের প্ল্যাটফর্ম।
k09 যে নীতিগুলো সব সময় মাথায় রেখে কাজ করে।
k09-এর পেছনে আছেন একদল নিবেদিতপ্রাণ মানুষ।
k09 থেমে নেই। প্রতিদিন নতুন কিছু শিখছি, প্রতি মাসে নতুন কিছু যোগ হচ্ছে। আগামী দিনে আমাদের পরিকল্পনায় আছে আরও বেশি স্থানীয় গেম যোগ করা — বিশেষত বাংলাদেশের লোকজ খেলাগুলোর ডিজিটাল সংস্করণ। ফ্যান্টাসি ক্রিকেট বিভাগও আসছে, যেখানে নিজের দল বানিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া যাবে।
পেমেন্টের ক্ষেত্রেও নতুন অপশন আসছে। ব্যাংক ট্রান্সফার আরও সহজ করা হবে এবং ছোট শহর ও গ্রামের ব্যবহারকারীরা যেন আরও সহজে ডিপোজিট ও উইথড্র করতে পারেন সেজন্য নতুন চ্যানেল নিয়ে কাজ চলছে।
প্রযুক্তির দিক থেকে অ্যাপটি আরও হালকা ও দ্রুত করার কাজ চলমান। লো-এন্ড ডিভাইস ও দুর্বল নেটওয়ার্কেও যেন k09 নিরবচ্ছিন্নভাবে চলে — এটা আমাদের একটি বড় লক্ষ্য, কারণ সারা বাংলাদেশের সবার কাছে k09 পৌঁছে দেওয়াটাই আমাদের আসল স্বপ্ন।
আমাদের সাফল্যের পেছনে আপনাদের বিশ্বাস ও ভালোবাসা। প্রতিটি ফিডব্যাক, প্রতিটি রিভিউ আমাদের আরও ভালো করতে অনুপ্রাণিত করে। k09 পরিবারে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
বাংলাদেশের ১০ লক্ষ+ সদস্যের সাথে যোগ দিন। নিরাপদ গেমিং, দ্রুত পেআউট এবং সম্পূর্ণ বাংলা অভিজ্ঞতা উপভোগ করুন।